স্মার্টফোন বা পারসোনাল কম্পিউটার
ইন্টারনেট সংযোগ
ছোটবেলায় সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে চোখ কচলাতে কচলাতে কোরআন শিখার জন্য মাদ্রাসায় যাওয়ার দৃশ্য এখনো হয়তো আপনার চোখে ভাসে? বা ঘরে হুজুর এর কাছে কোরআনের ভার্স বা আয়াতগুলো একটা একটা করে শিখা যেনো এখনো আমাদের মনকে আন্দোলিত করে। একটা একটা করে সূরা শেষ করা, এবং কোরআন খতমের দিকে একটু একটু করে এগিয়ে যাওয়া যেনো আলাদা শিহরন তৈরী করতো।
মানুষকে সঠিক পথ
দেখানোর জন্য আল্লাহ তায়ালা যুগে যুগে অসংখ্য নবী-রাসূল পাঠিয়েছেন। এসকল
নবী -রাসূলদেরকে গাইডবুক হিসেবে সহীফা ও কিতাব দিয়েছেন। এসব কিতাব সমূহের
মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ কিতাব হচ্ছে আল-কোরআন। পূর্ব পূবর্বর্তী
কিতাবসমূহের উপরে ঈমান আনা এবং আল-কোরআনকে মেনে চলা মুসলিমদের উপরে আল্লাহ
তায়ালা ফরজ করেছেন। আল-কোরআন এসেছে বিশ্ব মানবতাকে হিদায়াতের সঠিক পথের
সন্ধান দেয়ার জন্য। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘রমযান মাস, যাতে কোরআন নাযিল
করা হয়েছে মানুষের হিদায়াতস্বরূপ এবং হিদায়াতের সুস্পষ্ট নিদের্শনাবলী ও
সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারীরূপে।’ (সূরা আল-বাকারা-১৮৫)
হিদায়াতের এই কিতাব আল -কোরআন শিক্ষা করা প্রত্যেক মুসলমানের
উপরে ফরজ করা হয়েছে। নিম্নে আল-কোরআন শিক্ষা করার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা
সম্পর্কেআলোচনা করা হলো আল-কোরআন শিক্ষা করা ফরজ আল-কোরআনের প্রথম বাণী
হচ্ছে, ‘পড় তোমার প্রভুর নামে যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন।’ (সূরা আলাক-১)
এখানে ইক্বরা, অর্থ: পড়ো। এ আয়াতের মাধ্যমে প্রত্যেক
মুসমুলিমকে আল্লাহ জানিয়ে দিলেন তোমরা যিনার জন্য, বোঝার জন্য এবং সঠিকটা
মেনে চলার জন্য পড়া-লেখা করো, অধ্যয়ন করো। অর্থাৎ জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক
মুসলমানদের জন্য আল্লাহ তায়ালা ফরজ করে দিয়েছেন। আর এটার বাস্তব নির্দেশ
দিয়েছেন রাসূল (সা.)।
আল-হাদিসে বর্ণিত
হয়েছে, ‘হজরত আনাস ইবনে মালিক (রা.) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলসূ (সা.)
বলেছেন, জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলমানের উপরে ফরজ।’ (সূনান ইবনে মাজা)
জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি আল-কোরআন শিক্ষা করাও প্রত্যেক মুসলমানের উপরে
আল্লাহ ফরজ করে দিয়ে ছেন। রাসূল (সা.) এ সম্পর্কে মুসলমানদেরকে নির্দেশ
দিয়ে বলেছেন,
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) হতে
বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলসূ (সা.) বলেছেন, তোমরা কোরআন ও ফারায়েজ
(উত্তরাধিকার আইন) শিক্ষা করো এবং মানুষদেরকে শিক্ষা দাও কেননা আমাকে উঠিয়ে
নেয়া হবে।’ (সূনা সূ ন আত-তিরমিযি) তাই, আমাদের উপরে কর্তব্য আল-কো রআন ও
ইলমে ফারায়েজ (উত্তারাধিকার আইন) শিক্ষা করা এবং এর আলোকে জীবনের প্রতিটা
ক্ষেত্র পরিচালনা করা। আল-কোরআন শিক্ষা সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত আল-কোরআন অধ্যয়ন
করা, কোরআন জানা-বোঝার চেষ্টা করা পৃথিবীর সকল কাজের মধ্যে শ্রেষ্ঠ কাজ।
কারণ এ কো রআনের মধ্যে রয়েছে মানুষের জীবন পরিচালনা পদ্ধতি, হিদায়াতের সঠিক
পথ। প্রত্যেক কাজ শুরু করার সময় রাসূল (সা.) বিসমিল্লাহ পড়ে (আল্লাহর নাম
নিয়ে) শুরু করার কথা বলে ছেন। তবে যেকোনো কাজ শুরু করার আগে ‘আউযুবিযু
ল্লাহি মিনাশ শাইতারিজ রাজীম’ অর্থাৎ শয়তা নের কুমন্ত্রণা থেকে আল্লাহর
কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করতে বলেননি। তবে একটি কাজ করার আগে স্বয়ং আল্লাহ
তাআলা শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করতে বলেছেন,
সেটা হলো আল-কোরআন তিলাওয়াত বা অধ্যয়নের সময়। এ সম্পর্কে আল-কোরআনে বর্ণিত
হয়েছে, ‘সুতরাং যখন তুমি কোরআন পড়বে তখন আল্লাহর কাছে বিতাড়িত শয়তান হতে
পানাহ চাও।’ (সূরা আন-নাহল-৯৮)।
কীভাবে এনরোল করবেন তা বিস্তারিত জানতে এই ভিডিওটি দেখুন
● 'Add To Cart' বাটনে ক্লিক করুন
● ডান দিকে Cart Icon এ ক্লিক করুন
● Checkout বাটনে ক্লিক করুন
● আপনার ফোন নম্বর বা ইমেইল দিয়ে লগ-ইন করুন (একাউন্ট আগে করা না থাকলে Register বাটনে ক্লিক করে নতুন একাউন্ট খুলুন)। প্রয়োজনে এই ভিডিওটি দেখুন:
● লগ-ইন করা হয়ে গেলে 'Place An Order' বাটনে ক্লিক করুন।
● এর পর ফ্রিতে কোর্সটি আপনার একাউন্ট ড্যাশবোর্ডে যোগ হয়ে যাবে।
● আপনার প্রোফাইলের ''My Courses' ' সেকশনে দেখতে পাবেন।
➤ 'Dashboard' অথবা 'My Courses' বাটনে ক্লিক করলে কোর্সটি দেখতে পারবেন, সরাসরি আপনি কোর্সটি শুরু করতে পারবেন ।
➤ আপনার এনরোল করা সকল কোর্স এখানে পেয়ে যাবেন, সেক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে লগইন করা থাকতে হবে
➤ আরো জানতে ভিডিওটি দেখুনঃ
যেকোনো সমস্যার ক্ষেত্রে,
কল করুনঃ 01887742135
ইমেইল করুনঃ support@gsis.academy
অথবা এই ফর্মটি পূরণ করুনঃ
যেকোনো প্রশ্ন করতে বা সমস্যা জানাতে কল করুন 01887742135 এই নম্বরে। আমাদের সাপোর্ট টীম যেকোনো প্রয়োজনে আপনাকে সাহায্য করবেন।
Facebook Page: FACEBOOK
YouTube Subscribe করুন যে কোন আডডেট তথ্য পেতে : YOUTUBE
Apps ডাউনলোড করুন : https://play.google.com/store/search?q=gsis%20academy&c=apps&hl=en&gl=US